নিরাপদ তথ্য সেবার প্রত্যয়
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৫ এ ০৫:০৮ PM
কন্টেন্ট: পাতা
সুরক্ষিত তথ্য ভাণ্ডার ও নিরবচ্ছিন্ন গুণগত মানসম্পন্ন তথ্য সেবা প্রদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক, কালিয়াকৈর, গাজীপুরে সাত একর জমির উপর ক্লাউড কম্পিউটিং ও জি-ক্লাউড প্রযুক্তিতে নির্মাণ করা হয় বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম Uptime সার্টিফাইড ফোর টায়ার ডাটা সেন্টার। এই ডাটা সেন্টার হতে বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি প্রায় ৫৫ টি প্রতিষ্ঠানকে ক্লাউড কম্পিউটিং, ক্লাউড স্টোরেজ, ডাটা স্টোরেজ ও ব্যাকআপ, ডাটা সিকিউরিটি ও কো-লোকেশন সার্ভিস প্রদান করা হচ্ছে। ডাটা সেন্টারটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে গত ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে “বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (BDCCL)” শীর্ষক কোম্পানি গঠনের প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদিত হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ তারিখে “বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (BDCCL)” শীর্ষক কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। ৯৯.৯৯৫% আপটাইম বিশিষ্ট এই ডাটা সেন্টার হতে ২৪×৭ সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনবল দ্বারা বর্তমানে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের Government Cloud বা G-Cloud ক্লাউড হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার প্রেক্ষাপটে Oracle DRCC হতে সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে ক্লাউড সেবা প্রদান করা হচ্ছে। Oracle DRCC হতে Infrastructure as a Service (IaaS), Platform as a Service (PaaS) এবং Software as a Service (SaaS) এ তিনটি সেবা প্রদান করা হয়। Oracle ডাটাবেজ এর লাইসেন্স ক্রয় বাবদ সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের যে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে এর বিপরীতে Oracle DRCC ব্যবহার করলে বাৎসরিক বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। বাংলাদেশে প্রথম দেশীয় নিজস্ব কারিগরি জনবলের মাধ্যমে দেশের প্রথম নিজস্ব ‘মেঘনা ক্লাউড’ স্থাপন করা হয়েছে। Open Source Technology ব্যবহার করে এ ক্লাউড প্রস্তুত করা হয়েছে যার মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি যে কোন প্রতিষ্ঠানকে ক্লাউড সেবা প্রদান করা সম্ভব। উক্ত ক্লাউড সেবার আওতায় Big Data Analytics Platform, Artificial Intelligence Platform প্রস্তুত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ‘BDCCL Center of Excellence’ স্থাপনের মাধ্যমে ডাটা সেন্টার ইন্ডাস্ট্রি, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিডিসিসিএল এর মধ্যে ‘Academia-Industry Collaboration’ সম্পাদন করা হবে।
ডাটা সেন্টারের ক্লাউড সার্ভিস হতে গ্রাহককে ভার্চুয়্যাল মেশিন তৈরী করে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেয়া হয় যার মাধ্যমে গ্রাহক যেকোন স্থান থেকে লগ-ইন করে সুরক্ষিত উপায়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের কোন হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার ক্রয় বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না, শুধু ইন্টারনেট বা ইন্ট্রানেট ব্যবহার করে গ্রাহক নিশ্চিন্তে ই-সেবা গ্রহণ করতে পারে। ফোর টায়ার জাতীয় ডাটা সেন্টার হতে যদি সরকারের সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/দপ্তর/সংস্থাসমূহ G-Cloud সেবা গ্রহণ করে তাহলে এ খাতে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে। ডাটা সেন্টার ব্যবহার করে হার্ডওয়্যার-সফ্টওয়্যার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য যন্ত্রপাতি কেনাকাটার ঝামেলা পরিহার ও সময় সাশ্রয় করা সম্ভব।
নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ তথ্য সেবার প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড (বিডিসিসিএল) এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে।